আমাদের গল্প
তাঁতীবাজারের তিন প্রজন্ম
১৯৬৮ সালে তাঁতীবাজারের এক চিলতে দোকানে হারাধন বসাক তাঁর প্রথম আংটি গড়েছিলেন। আজ তাঁর ছেলে আর নাতি-নাতনিরা সেই একই কাঠের টেবিলে বসে কাজ করেন। বদলেছে শুধু এটুকু: দাম এখন সবার সামনে খোলা।
- ০১
হাতে গড়া
ছাঁচে ঢালা গয়না আমরা বিক্রি করি না। প্রতিটা টিকলির ফিলিগ্রি, প্রতিটা চুড়ির প্যাঁচ আমাদের দোতলার কারখানায় কারিগরদের হাতে তৈরি।
- ০২
খোলা দাম
সোনার দাম, মজুরি, পাথর আর ভ্যাট আলাদা করে লিখে দিই। কাউকে জিজ্ঞেস করতে হয় না, দরদাম করতে হয় না।
- ০৩
প্রজন্মের সম্পর্ক
যে মায়ের বিয়ের গয়না আমরা গড়েছিলাম, আজ তাঁর মেয়ের গয়নাও আমরাই গড়ি। পুরনো গয়না ফিরিয়ে নিই সেদিনের দরে।
এক টুকরো হাতুড়ি থেকে আজকের শোরুম
- ১৯৬৮
তাঁতীবাজারে প্রথম দোকান
- ১৯৮৪
দোতলায় নিজস্ব কারখানা
- ২০০৩
দ্বিতীয় প্রজন্ম, প্রথম হলমার্ক
- ২০১৯
ক্যারেট মিটার, প্রতিটা গয়নায় রসিদ
- ২০২৬
অনলাইনে, আজকের দরে
- ৫৮
- বছর
- ১৪
- জন কারিগর
- ৯,০০০
- বিয়ের সেট
- ৬৪
- জেলায় ডেলিভারি
তাঁতীবাজারে এলে দোতলার কারখানায় একবার উঁকি দেবেন। কারিগরদের হাতে সোনা কীভাবে গয়না হয়, নিজের চোখে দেখে যাবেন।
— হারাধন বসাক ও পরিবার
গয়না দেখুন